ব্লগিং করবেন নাকি ইউটিউবিং? YouTube vs Blogging Which is Best for Earning 2021

YouTube vs Blogging

ব্লগিং করবেন নাকি ইউটিউবিং? YouTube vs Blogging Which is Best for Earning 2021

হ্যালো বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন। আজকে আমরা কথা বলবো ব্লগিং করবেন নাকি ইউটিউবিং করবেন। আপনারা কি করলে আপনাদের জন্য ভালো। এমন কি করলে আপনার জন্য বেশি পরিশ্রম করতে হয় বলব। সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়তে থাকুন। আপনাদের আশা করি এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে খুব হেল্প হবে। এছাড়াও কি করলে আপনার বেশি সুবিধা হচ্ছে কম সময়ের মধ্যে আপনি বেশি সাকসেস পাচ্ছেন এমনকি কোথায় আপনি কাজ করলে আপনার সাকসেস পেতে একটু দেরি হতে পারে।

YouTube vs Blogging:

 

 আমি সাধারণত যখন ইউটিউবিং শুরু করি। তখন আমি কনফিউশনে ছিলাম যে আমি কি নিয়ে কাজ করব কিন্তু তখন আমার মাথায় শুধু এই বিষয়টা আর ছিল যার কারণে আমি শেষমেষ ইউটিউবার হতে পেরেছি আমার কি সাকসেস হয়েছি আমি এর পাশাপাশি একটু সময় বাঁচিয়ে একটু ব্লগিং করার জন্য ইচ্ছা জাগল সে ক্ষেত্রে আমি কিন্তু এখন ব্লগিং শুরু করে দিয়েছে এছাড়াও শুধুমাত্র আপনি ব্লক করবেন এই না আপনি পাশাপাশি টিফিন করতে পারে পাশাপাশি ব্লগিং করতে পারবেন। আপনার যা ইচ্ছা আপনি সেটা করতে পারবেন। এছাড়াও আপনার আরো বেশি সময় থেকে এগুলো করার পরেও।

তাহলে আপনি অন্য কাজগুলো করতে পারবেন আশা করি বিষয়টি সম্পূর্ণ ভাবে ক্লিয়ার না হলেও কিছুটা ধারনা আমি আপনাদেরকে দিতে পারেন তবে আপনাকে অবশ্যই সেটা আপনার জন্য বেশি সুবিধাজনক।

আরো পড়ুন…

 

আপনার জন্য কোন টি সেরা? YouTube vs Blogging

 

 যদি আপনার কনটেন্ট বানাতে বেশি ভালো লাগে’ ভিডিও বানাতে বেশি ভালো লাগে বা ইউটিউবে কাজ করতে বেশি ভালো লাগে সেখানে ভিডিও আপলোড করে ইনকাম করতে বেশি ভালো লাগে আপনি কিন্তু সে কাজটা করতে পারেন এছাড়া অপরদিকে আপনার ব্লগ যদি আপনার কাছে মনে হয় যে এটা আপনার জন্য সহজ বা আপনি ভাল কনটেন্ট দেখতে পারবেন।আপনি ভালো কবিতা লিখতে পারেন আপনি ভালো গান লিখতে পারেন এছাড়াও আপনি যে কোন গ্যাসের সম্বন্ধে ভালো লিখতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আপনি কিন্তু ব্লগিং সিলেকশন করতে পারেন। 

কিন্তু আমি বলব আপনার বিষয়টা অবশ্যই আপনি বেশি রকম ভাবে মাথায় নিবেন যে আপনি কি বেশি পারেন আপনাকে যদি বলি আপনি ইউটিউবে ভিডিও করেন সেটা আপনি কিন্তু বলবেন যে কি ভিডিও বানাবো তখন কিন্তু আপনার মাথায় বুদ্ধি আসবে সেটা কিন্তু আমার মাথায় নাও আসতে পারে তখন কিন্তু আমি আপনাদেরকে বলতে পারি যে আপনি একটা ডান্স বার নাচের ভিডিও আপনি করেন।

 

Best for Earning Tips 2021

 

 সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনি নাচতে পারবেন না আমি বলব। যে আপনি কি পারেন সেই ক্যাটাগরিতে ভিডিও করেন এছাড়াও ব্লগিং করতে গেলে আপনার প্রশ্ন আসতে পারে ভাই আমি কি নিয়ে কাজ করব কোন মিশনে কাজ করলে বেশি সাকসেস পাওয়া যায় বা কোন টপিকে আমি কাজ করলে মানুষ আমার সাইটে ঢুকবেন। এই বিষয় নিয়ে অনেকেই নানা রকমের টেনশন করেন যেটা আমি আপনাদেরকে বলতে একদম করবেন না এখন তো আমি আছি আপনাদের জন্য একদম সহজে।

এছাড়া আমার আর্টিকেলগুলো পড়ে আপনি খুব সহজে ধারণা পেয়েছেন যে কিভাবে ব্লগিং করতে হয় কিভাবে সাকসেস হতে হয় কিভাবে ব্লগিং করে আপনি প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারবেন আপনি কোন সময় কত টাকা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ইনকাম করা যায় এই টপিক নিয়ে আমি কিন্তু অনেকগুলো আর্টিকেল লেখার চেষ্টা করব যাতে আপনাদের হেল্প আমাকে অনেকে ব্লগিং করার ক্ষেত্রে আমরা কিভাবে নিজের সৃজনশীলতাকে উদঘাটন করতে পারব তাই আমি আপনাদের কথা চিন্তা করে আমি বিভিন্ন রকমের আর্টিকেল  এই সাইটে প্রোভাইড করে থাকবো যেটা আপনারা অবশ্যই পড়তে পারেন।

 

ব্লগিং এ ইনকাম কেমন?

তবে আপনি যাই করেন না কেন আপনি যেটা নিয়ে কাজ করবেন সেটাকে ধরে থাকতে হবে তাকে সময় দিতে হবে সেটা নিয়ে ধৈর্য ধরতে হবে শুরুতেই আপনি ব্লগিং করলে অনেকগুলো ব্লগ সাইট না খেলাটাই বেটার আমি মনে করি এটা করবেন যাতে আপনার একবার এইটা একবার ওইটা নিয়ে টেনশন না পড়তে হয় আপনাকে অবশ্যই যে কোন একটা নিয়ে থাকতে হবে তাহলে কিন্তু আপনি বেশি দ্রুত চাকরি পড়াশোনা থাকে আপনি যদি ইউটিউবে চ্যানেল খুলে তাহলে আপনাকে অবশ্যই একটি চ্যানেল প্রথমে খুলবে সেটা যদি সাকসেস হবেন। তারপর আপনি পাশাপাশি সময় থাকলে আপনি আরেকটা খুলতে পারেন সেটা আপনার জন্য ভালো এমনকি আপনার সময়ের জন্য ভালো এছাড়াও আপনি সাকসেস দিক থেকে এগিয়ে থাকে।

 

Blogging Tips and Tricks

 

আর সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমি নিয়ে আসছি এই আর্টিকেলটি আপনাদের ক্ষেত্রে কোনটা পেফার করে বেশি আপনি কোথায় ভালো করতে পারবেন এ বিষয়ে সাজেশন দিবো। নরমাল আমি যে বিষয়টা নিয়ে সবচেয়ে বেশি প্রকাশ দিয়েছি সেটা হলো যে ইউটিউব এর সাথে ব্লগারের পার্থক্য কি এমনকি কোথায় বেশি আর্নিং করা যায় কম সময়ের মধ্যে। কতটা সময় নিয়ে আপনাকে কাজ করতে হবে  এবং কতদিন পর আপনারা সফলতা পাবেন। অপরদিকে রয়েছে কোন টার ভবিষ্যৎ খারাপ এমনকি কোনটা ভবিষ্যৎ ভালো এছাড়া দুইটার ভবিষ্যৎ ভালো কিনা এই বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করব।

আরেকদিকে রয়েছে ইনভেস্টমেন্ট আপনি কোথায় বেশি ইনভেস্ট করবেন এমনকি কোথায় ইনভেস্ট করবেন না এ বিষয়ে কিন্তু আপনাকে জানতে হবে আপনি যদি ইউটিউবে কাজ করেন সেখানে আপনার কোন প্রকার ইনভেস্ট এর প্রয়োজন নেই অপরদিকে ব্লগারের আপনাকে কোন প্রকার ইনভেস্টমেন্ট দরকার নাই।

 

ইউটিউবিং এ ইনকাম কেমন?

 অপরদিকে যদি বলতে যাই তাহলে আপনার দুইটা ইনভেস্ট করা দরকার রয়েছে যেমন আপনি যদি ইউটিউবে শর্ট ফিল্ম করেন  এছাড়াও অনেক সিস্টেম রয়েছে যেটার মাধ্যমে আপনাকে ইনভেস্টমেন্ট করা প্রয়োজন হতে পারে কারণ আপনার ইউটিউবে ভিডিও করতে গেলে আপনার ভালো একটা মাইক্রোফোন এর প্রয়োজন হতে পারে যেটা শর্টফিল্মের ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য হয় অপরদিকে আপনি যদি গেমিং করেন তাহলে আপনাকে ভালো একটা মাইক্রোফোন কিনতে হবে যেখানে ভালো গেম খেলা যায় কোন প্রকার হ্যাং না করে বা লীগ না করে। তবে আপনি সর্বোচ্চ কম্পিউটার পর্যন্ত যেতে পারবে না সবনিম আপনি ফোন দিও গেম খেলতে পারবেন যেটা আমি প্রেফার করি শুরুর ক্ষেত্রে।

 

YouTubing Tips Bangla

তো এই ক্ষেত্রে আপনার ইনভেস্ট করা প্রয়োজন হতে পারে যেটা আমি প্রেফার করি যে এই ক্ষেত্রে আপনাকে যদি ইনভেস্ট করার প্রয়োজন হয় তাহলে আপনি কত বেশি ইনভেস্ট করবেন না যাতে আপনার পরবর্তীতে এই বিষয়টা নিয়ে হতাশ হতে হয়। অপরদিকে আপনি যদি ব ব্লগিং করেন তাহলে কিন্তু আপনাকে ইমপ্রেস করা প্রয়োজন হতে পারে সেটা হলো যে আপনি কাস্টম ডোমেইন টপ লেভেল ডোমেইন কিনে ব্লগিং করার ক্ষেত্রে এছাড়া আপনি যদি গুগলের সাব-ডোমেইন ব্লগস্পট দিয়ে যদি আপনি ব্লগিং করেন তাহলে আপনাকে ব্লগিং করার ক্ষেত্রে কোন প্রকার ইনভেস্টমেন্ট করতে হবে না।

ইউটিউবে ভিডিও বানালে আপনি যদি স্কিন রেকর্ডিং ভিডিও করেন তাহলে কিন্তু আপনাকে ভালো একটা ক্যামেরা কিনতে হচ্ছে না ভালো একটা ফোন কিনতে হচ্ছে না নরমালে আপনি ইয়ারফোন দিয়ে মাইক্রোফোনের মত রেকর্ড করতে পারবেন এছাড়াও আপনার খুব সহজে শর্টকাট কোন প্রকার ইনভেস্ট ছাড়াই আপনার কাজগুলো করে নিতে পারবেন।  

YouTube vs Blogging

 

সে ক্ষেত্রে কিন্তু আপনার ব্লগিং প্লাস ইউটিউবিং 2 ক্ষেত্রে কিন্তু আপনার ইনভেস্ট করার প্রয়োজন হতে পারে আবার ইনভেস্ট করে না প্রয়োজন হতে পারে সেটা আপনার উপর নির্ভর করে যে আপনি কি নিয়ে কাজ করতেছেন আবার অনেক সময় শর্ট ফিল্ম এর ক্ষেত্রে আপনি ফোন দিয়ে শর্ট ফিল্মে করতে পারবেন যদি আপনার কোন  স্কেল থাকে। 

 

আজকে এই পর্যন্ত ছিল নেক্সট অন্য কোন টপিকে কথা হবে পর্যন্ত আমাদের সাইটের সাথেই থাকুন। 

Total
0
Shares
মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Previous Post

How to Change bKash Account Pin – বিকাশ একাউন্টের পিন পরিবর্তন (Bkash Pin Forget/Restore)

Next Post

টপ 4 পাওয়ার ব্যাংক মাত্র 1500 টাকায় – Best Powerbank Buying Guide

Related Posts
Best Memory Card

এটি জানলে ফোনে মেমরি কার্ড ব্যবহার করা ছেড়ে দিতে বাধ্য হবেন

কমবেশি আমরা সবাই ফোনে  এসডি কার্ড অথবা মেমোরি কার্ড ব্যবহার করে থাকি। তবে বর্তমানে এটির ব্যবহার দিন দিন…
বিস্তারিত
Total
0
Share