e-SHRAM Card Registration 2021: ই-শ্রম কার্ডের ২ লক্ষ টাকা পাবার জন্য আবেদন

e SHRAM Portal
e-SHRAM Card

প্রধানমন্ত্রী শ্রমিক যোজনা: নতুন e-Shram নামে একটি পর্টাল চালু করলো “মিনিস্ট্রি অফ লেবার এন্ড এম্প্লয়মেন্ট”। এই পোর্টালে অসংগঠিত সকল শ্রমিকরা নিজেদের নাম রেজিস্ট্রেশন করেছেন। রেজিস্ট্রেশন করার সম্পূর্ণ হলে প্রত্যেকেরই একটি করে স্মার্ট কার্ডের মতো ই-শ্রম কার্ড প্রদান করা হচ্ছে। শ্রমিকদের আর্থিক সহযোগিতার জন্য এ প্রকল্পটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে 2 লক্ষ টাকা পর্যন্ত দিয়ে থাকবেন। শুধুমাত্র আমরা এইটুকুই জানি যে 2 লক্ষ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সুবিধা শ্রমিকরা পাবে। যদি সে নাম রেজিস্ট্রেশন করে। কিন্তু কিভাবে পাবে? এছাড়াও এর জন্য আপনাকে কি করতে হবে। এ বিষয়ে কিন্তু আমরা অবগত নই বা জানিনা। 

 

শ্রমিক কার্ড এর সুবিধা : Shram Suvidha login

আবার এই কথাটিও কোথাও বলা নেই। তাই আমি আপনাদেরকে বিষয়ে পুরো বিস্তারিত ভাবে বলার চেষ্টা করব। যেন আপনিও এ সুবিধাটি ভোগ করতে পারেন। আর আপনাদের কি আজকে বলার চেষ্টা করব। কিভাবে আপনার আসে দুই লক্ষ টাকা পাবেন। 2 লক্ষ টাকা পাওয়ার জন্য আপনাকে কি করতে হবে। এছাড়াও কি কি ডকুমেন্টস লাগবে। এছাড়াও ফরম ফিলাপ কিভাবে করবেন। এই সমস্ত বিষয় নিয়ে আজকে আপনাদেরকে পুরো প্রচেষ্টা step-by-step দেখিইয়ে দেবো।

 

ই শ্রম কার্ড কি:

সাধারণত আপনাকে বুঝতে হবে ইশ্রম প্রকল্পটি হলো একটি ইন্সুরেন্স। আপনার ব্যাংকে পূর্বের জমাকৃত টাকা থেকে প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে এমাউন্ট ব্যাংক কেটে নিবে। যা আপনার ইন্স্যুরেন্সে জমা হবে। এ সমস্ত বিষয় আপনার পারমিশন এই করা হবে। আপনি একটি ব্যাকআপ হিসেবে রাখতে পারেন। মানে এটাই হলো লাইফ ইন্সুরেন্স অথবা জীবন বীমা। 

 

কিন্তু আপনার এমন একটা সময় আসবে। ধরুন আপনি এক্সিডেন্ট বশতো নিজে শারীরিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেলেন। অথবা কোন কারণে আপনি গুরুতরভাবে অসুস্থ। আপনি হাঁটতে পারেন ন, চলতে পারেন না, বয়স হয়ে গিয়েছে কাজ করতে পারেন না। মানে বিকলাঙ্গ হয়ে গেলেন। 

এমতাবস্থায় আপনি কোন কাজ-কর্ম করতে পারেন না। হতে পারে আপনি খুবই গরীব এবং আপনার ফ্যামিলির চলতে পারে না। সেই সময়, ওই যে আপনি ইন্সুরেন্স করে রেখেছিলেন। এই টাকাটা তখন সহযোগিতা করবে। তাই এই বিষয়টা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। এখন আপনি হয়তোবা ভাবতে পারেন এটি আবার এমনকি প্রয়োজন। 

 

ই শ্রম কার্ড অনলাইন:

এছাড়াও আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে। আপনি প্রতিবন্ধী হয়ে গেলে অথবা আপনার কোনো কারণবশত ক্ষয়ক্ষতি হয়ে গেলে। তারপরে আপনি টাকা পাবেন, এটা আবার  কেমন নিয়ম। হ্যাঁ, এই সকল প্রশ্ন আপনার মনে আসতে পারে। কারণ এটা ইন্সুরেন্স এবং ইন্সুরেন্সের নিয়ম এমনই হয়। মানে আপনি বেঁচে থাকলে তেমন একটা সুবিধা পাবেন না। এসব পণ্য সুবিধাটি আপনার নমিনি ভোগ করতে পারবে। 

 

শ্রমিক কার্ড: তবে প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বীমা যোজনা বলে একটি প্রকল্প রয়েছে। আর সেই প্রকল্পের দরুন কিন্তু আপনারা এই দু লক্ষ টাকার স্কিম এর একটি সুবিধা পাচ্ছেন। এটা কার ক্লাইম কিভাবে করবেন? 

 

আপনার ফ্যামিলির জন্য এ প্রকল্পটি তে আপনি রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন। এর জন্য আপনার ফ্যামিলির কাউকে অথবা আপনার নমিনিকে এসমস্ত ক্লাইমিং এর প্রসেসটা করতে হবে। তবে আপনার নমিনীকে ঠিক সেই ব্যাংকে গিয়ে টাকাটা ক্লাইমিং করতে হবে। যে ব্যাংকে আপনি ডকুমেন্টস জমা দিয়েছেন এবং যেই ব্যাংকে আপনার টাকাটা কেটে নিচ্ছে। আর সেই ব্যাংকেই সমস্ত ডকুমেন্টস ঠিকঠাক মত আপনার নমিনি জমা দিলেই সে টাকাটা ক্লাইম করতে পারবে। 

 

কি কি ডকুমেন্ট এবং কি কি ফরম আপনাকে ফিলাপ করতে হবে।

 

প্রথমত আপনার একটি ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন হবে। ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেটটি কিভাবে পাবেন। এর জন্য আপনার ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট নাম্বার টির মাধ্যমে ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেটটি। সেই একই ব্যাংক থেকে উঠাতে হবে বা নিতে হবে। ব্যাংক কর্মকর্তাদের কাছে অ্যাকাউন্ট নাম্বার টি এপ্লাই করলেই আপনাকে ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেটটি তারা দিয়ে দেবে। 

এরপরে রয়েছে ক্রাইম ইনফরমেশন। এটার মাধ্যমে আপনি ক্লাইমের একটা ফর্ম ফিলাপ করতে হবে।

 

শ্রমিক কার্ডের টাকা ক্লাইমের জন্য নমিনী কিভাবে আবেদন করবে?

উপরের ফরমটি ব্যাংক থেকে আপনারা কালেক্ট করে নেবেন। তারপরে সম্পূর্ণ ফর্ম নমিনীর ফিলাপ করতে হবে। আর ফরম ফিলাপ করার সময় কোন বুঝতে অসুবিধা হলে ব্যাংক কর্মকর্তাদের কাছ থেকে সহযোগিতা নিতে পারেন। এর পরে  কাঙ্খিত ফরমটি সঠিকভাবে পূরণ সম্পূর্ণ হলে ব্যাংকে সেটা জমা দিতে হবে।

ক্লাইম ফর্ম টি কেমন দেখতে তা নিচে একটি নমুনা ছবি দেওয়া হল:

e-Shrom Claim Form (PDF)



এবার আসি যার  নামে রেজিস্ট্রেশন করা হবে। সে যদি কোন প্রকার শারীরিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে। বা বড় কোনো দুর্ঘটনা হয়ে যায়। সেই ক্ষেত্রে সেইদিন থেকে আগামী 30 দিনের মধ্যে তার অভিভাবক অথবা নমিনি ব্যাংকে গিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তাকে জানাতে হবে এবং একটি ফরম ফিলাপ করতে হবে। তারপর সেই নমিনি টাকা গুলো ব্যাংক থেকে ক্লাইম করতে পারবে ।

আপনার দেওয়া নমিনি যদি 18 বছরের নিচে হয় । তাহলে তার অভিভাবক অথবা অন্য কেউ ফরমটি ফিলাপ করতে পারবে। আর যদি 18 বছরের উপরে হয়। তাহলে তাকে নিজেকেই ফরমটি ফিলাপ করতে হবে। আর যদি নমিনির নামে রেজিস্ট্রেশন না করা থাকে। তাহলে উত্তাধিকার  সূত্রে যারা নমিনি হচ্ছেন। তাদের কে আবেদন করতে হবে। 

 

এই পোস্ট টি ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ…

Total
0
Shares
2 comments
  1. আমার ই শ্রমিক কাঠ আছে কিন্তু টাকা পারছিনা প্রধানমন্ত্রী তাহলে কি গল্পো ছরিয়ে ছে একটু জানাবেন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Previous Post

Aadhaar Card New Update: নীল আধার কার্ড কী, বাল আধার কার্ড রেজিস্টেশন।

Next Post
Best Samsung phones 2022

Samsung to Launch Galaxy S21 FE on January 4, Galaxy S22 series on 8 February 2022

Related Posts
Total
0
Share